আখলাক বলতে যা বুঝায়

  জাগো ডেস্ক  শনিবার | জুলাই ৩, ২০২১ | ০৫:১৮ পিএম

আখলাক শব্দটি আরবি। এটি বহুবচন। এর এক বচন হলো খুলুকুন। শব্দটির আভিধানিক অর্থ- সভাব, চরিত্র ইত্যাদি।শব্দগত দিক বিবেচনায় আখলাক বলতে সচ্চরিত্র ও দুশ্চরিত্র উভয়কেই বোঝায়। কিন্তু প্রচলিত অর্থে আখলাক বলতে শুধু সচ্চরিত্রকেই বুঝানো হয়। যেমন ভালো চরিত্রের মানুষকে আমরা বলি চরিত্রবান আর মন্দ চরিত্রের মানুষকে চরিত্রহীন বলে থাকি। ব্যবহারিক বিবেচনায় আখলাক দ্বারা ভালো ও উত্তম চরিত্রকেই বোঝানো হয়। মূলত আখলাক হলো মানুষের সভাবসমূহের একটি সমম্বিত রূপ। মানুষের আচার আচরণ, চিন্তা ভাবনা, মানসিকতা ও কর্মপন্থা এসব কিছুকে একত্রে চরিত্র বা আখলাক বলা হয়ে থাকে। তা ভালো কিংবা মন্দ উভয়ই হতে পারে। এক কথায় মানুষের সকল কাজ ও নীতির সমষ্টিকেই বলা হয় আখলাক। আখলাক দুই প্রকার- যথা ১. আখলাকে হামিদা ২. আখলাকে যামিমাহ। আখলাকে হামিদাহ হলো মানুষের প্রশংসনীয় গুণাবলি আর আখলাকে যামিমাহ মানব স্বভাবের মন্দ অভ্যাসগুলোর সমষ্টির নাম। 

মোদ্দাকথা, ইসলামের দৃষ্টিতে আখলাক হলো সদ গুণ, নৈতিকতা ও ভালো আচার-আচরণের অনুশীলন। মানুষের সকল প্রকার আচার-আচরণ, দৃষ্টিভঙ্গি এবং নৈতিক কাজ, যা তার সামগ্রিক কর্মকাণ্ডকে প্রভাবিত করে এর সবই আখলাকের অন্তর্ভুক্ত। মানুষের জীবনে আখলাকের গুরুত্ব কতটা তা বুঝা যায় আব্দুল্লাহ বিন ওমর (রা.) কর্তৃক বর্ণিত মুহাম্মদ (সা.) এর বাণী থেকে। তিনি বলেছেন, "তোমাদের মধ্যে তারাই উত্তম, যাদের আচার-আচরণ ও চরিত্র উত্তম"।

আবু রুবাইয়্যাত