ভুয়া পরিচয় জাহির করতে খুলনার সাংবাদিক আতিয়ার জনরোষের শিকার

  খুলনা জেলা সংবাদদাতা  সোমবার | মে ১৭, ২০২১ | ০৭:১৬ পিএম

গভীর রাতে সাতক্ষীরার অজপাড়া গায়ে খুলনার প্রতারক এক সাংবাদিকের একি কান্ড! তাকে জনরোষের হাত থেকে রক্ষা করলো পুলিশ।

ঘটনার বিবরণে প্রতাক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন,গত ১৬ মে রবিবার রাত্র অনুমান ১০ টার দিকে খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার শোভনা গ্রামের ছমীর তরফদারের পুত্র আতিয়ার তরফদার (৪০) নিশান এক্সটেল প্রাইভেট কার সাদা রঙের,যার নাম্বার ঢাকা মেট্র ঘ ১৮- ২৪৬৯ যোগে সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানার তৈলকুপী গ্রামের মৃত ছদরউদ্দীন বিশ্বাস এর ছেলে টাইলর্স মিস্ত্রি শাহিন বিশ্বাসের বাড়িতে দাওয়াত খেতে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে গ্রামের মোড়ে স্থানীয় গ্রামবাসীদের ভ্যান গাড়ী, মোটরসাইকেল রাস্তার ধারে রাখা ছিল। তাঁরা কোন প্রকার কারণ ছাড়াই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে গাড়ীতে প্রশাসনের মত হুইসেল বাজিয়ে সাথে থাকা এক সঙ্গী বেরিয়ে এসে পুলিশের ব্যবহারিত বেতের লাঠি বের করে আতংক তৈরি করে। এ সময় স্থানীয় গ্রামবাসী ভয়ে পুলিশ কে বিষয়টি নিশ্চিত করে। এরমধ্যে দাওয়াত খেয়ে আতিয়ার রহমান সহ ৩ সঙ্গী ঘটনাস্থলে ফিরে আসে ততক্ষণে শত শত গ্রামবাসী জড়ো হয়ে যায় সেখানে। এর কিছুক্ষণ মধ্যে পাটকেলঘাটা থানার নিয়মিত টহলদল এ এস আই নিজাম সঙ্গীও ফোর্স নিয়ে পৌঁছে যায়। এ দিকে গ্রামের সাধারণ মানুষের সাথে ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে থানার সাব ইন্সপেক্টর বুলবুল ও পৌছাই সেখানে। এক পর্যায়ে নিজেকে এটিএন নিউজ টিভি ও যায়যায়দিন পত্রিকার বিভাগীয় প্রতিনিধি পরিচয় দিয়ে পুলিশের সহযোগিতায় রক্ষা পায়। গ্রামাবাসী কামাল সরদার, হাফিজুর রহমান মোল্লা, কালাম শেখ,হাফিজুর সরদার,সেলিম গাজীসহ একাধিক ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, ওই সাংবাদিক ক্ষমতার অপব্যবহার করা সহ যে গাড়ীটি নিয়ে এসেছিল তাঁর কাগজপত্র যাচাই গাড়ী চালানোর পারমিট আছে কি না তা খতিয়ে দেখেনি। এতে জনমনে চরম ক্ষোপ বিরাজ করছে বলে জানা গেছে। গ্রামাবাসীর অভিযোগে পুলিশের সহযোগীতা নিয়ে তাঁদের সাথে যে ঘটনা ঘটিয়ে আতংক তৈরি করেছে তাঁর কি কোন আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে! এ বিষয়ে খুলনায় কর্মরত সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, আতিয়ার একটা প্রতারক। যায়যায়দিন পত্রিকা ছাড়া অন্য কোন প্রতিষ্ঠানে সে কর্মরত না। সাতক্ষীরা সীমান্ত এলাকায় প্রায় সময় মাদক সেবনের জন্য গাড়ী নিয়ে বের হয়। গাড়ীগুলো ভাড়া করা বা অন্যের থেকে চেয়ে নিয়ে যায়। তাঁর কোন অস্ত্রের পারমিট নেই। তাঁর গাড়ী চালানোর ওপরে কোন প্রশিক্ষণ সনদ নেই। খুলনা শহরে সবাই তাঁকে প্রতারক হিসাবে জানে। এ দিকে আতিয়ারের এমন কর্মকান্ডের বিচার দাবি করেছেন সাতক্ষীরার তৈলকুপী গ্রামাবাসী।